আলোচনায় মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন ইউনিসেফের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপক রিয়াদ মাহমুদ। উপস্থাপনায় বলা হয়, শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করা হয়। তিন ধাপে পরিচালিত এই কর্মসূচি প্রথমে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পৌরসভা ও উপজেলা, পরে বড় সিটি করপোরেশন এবং শেষে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হয়। বর্তমানে ক্যাম্পেইনের সাফল্যের হার ৯৩ শতাংশ, যা ১০০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রথম ধাপে টিকা পাওয়া ৩০ উপজেলায় সংক্রমণ প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল হামের সংক্রমণে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে সরকার। আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো বরগুনা সদর ও পৌরসভা; পাবনা সদর, পৌরসভা, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও বেড়া; চাঁদপুর সদর, পৌরসভা ও হাইমচর; কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু; গাজীপুর সদর; চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও পৌরসভা, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট; নেত্রকোনার আটপাড়া; ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল, তারাকান্দা ও শ্রীনগর; রাজশাহীর গোদাগাড়ী; বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ; নওগাঁর পোরশা; যশোর সদর ও পৌরসভা; নাটোর সদর; মুন্সিগঞ্জ সদর ও পৌরসভা, লৌহজং; মাদারীপুর সদর ও পৌরসভা; ঢাকার নবাবগঞ্জ; ঝালকাঠির নলছিটি ও শরীয়তপুরের জাজিরা।
