ট্রাম্প গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই চুক্তি আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।
ক্ষমতার প্রভাব বা দর–কষাকষির শক্তিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া একজন প্রেসিডেন্টের জন্য এই সিদ্ধান্তও যুদ্ধের আরেকটি রহস্য হয়ে আছে। তবে ‘সমঝোতা স্মারক’-এর ভাষা ইঙ্গিত দিচ্ছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইরান হয়তো হরমুজ প্রণালির ওপর স্থায়ী সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা করতে পারে।
বুধবার সন্ধ্যায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন, সেটা এমন একটি পথও দেখাচ্ছে, যার মাধ্যমে ইরান বহু বছর ধরে জব্দ থাকা শত শত ডলারের সম্পদ ফেরত পেতে পারে।
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলছেন, এই অর্থ কেবল ‘ভালো আচরণের’ বিনিময়ে ছাড় দেওয়া হবে। তবে বাস্তবে ট্রাম্পের এই ছাড় অনেকটাই সেই ধরনের, যা ১১ বছর আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দিয়েছিলেন। অথচ এ জন্য ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ওবামার কঠোর সমালোচনা করে আসছেন।
ট্রাম্প প্রায়ই সাংবাদিকদের মনে করিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধক্ষেত্রে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে। অভিযান শুরুর সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, তাঁর লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণ ধ্বংস, সরকারের পতন। বাস্তবে সেসবের কিছুই হয়নি।
