প্রকল্পের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘এই রিডিং রুম দুর্নীতি, ধামাচাপা দেওয়া এবং অপরাধের এক অনস্বীকার্য ভৌত দলিল। ট্রাম্প যেসব আংশিক সম্পাদিত এপস্টিন ফাইল থেকে আমাদের নজর সরিয়ে নিতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, এখানে সেই ৩৫ লাখ পৃষ্ঠা, ৩ হাজার ৪৩৭টি খণ্ড এবং ১৭ হাজার পাউন্ড ওজনের নথি রয়েছে।’

ওয়েবসাইটে আরও উল্লেখ করা হয়, এপস্টিন ও তাঁর সহযোগীদের অপরাধ এবং তা ধামাচাপা দিতে ট্রাম্পের মরিয়া চেষ্টার দিকে জনদৃষ্টি নিবদ্ধ রাখা এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের লড়াইয়ে সমর্থন দেওয়াই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

নিরাপত্তার কারণে গ্রন্থাগারের সঠিক অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। তবে নিশ্চিত দর্শনার্থীরা ই–মেইল ও খুদে বার্তার মাধ্যমে পূর্ণ ঠিকানা জানতে পারবেন। প্রদর্শনীর প্রধান আয়োজক ডেভিড গ্যারেট বলেন, ‘এ কক্ষে থাকা তথ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অপরাধগুলোর একটির প্রমাণ। আমি আশা করি, এটি দেখে মানুষ উপলব্ধি করবে যে যুক্তরাষ্ট্রে আইনের শাসন আছে এবং তারা চাইলে অপরাধের জবাবদিহি দাবি করতে পারে।’



Source link