প্রক্টর রাহাত হোসাইন পদত্যাগের সত্যতা নিশ্চিত করে বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্য যে তালবাহানা করছেন, তাতে এই পরিবেশে তাঁর সঙ্গে কাজ করা অসম্ভব। তাই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল কাইউম প্রথম আলোকে বলেন, প্রক্টর ও সিন্ডিকেটের ৯ শিক্ষক, যাঁরা প্রশাসনিক দায়িত্বে রয়েছেন, সেখান থেকে সবাই পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত করা হয়েছে। আগামীকাল থেকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক সবকিছুতে কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

শিক্ষকদের এই কর্মসূচির পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যত আবার অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম পিছিয়ে সেশনজটের শঙ্কা বেড়েছে।



Source link