উদ্যোক্তারা বলছেন, গাছ ও পরিবেশের ক্ষতি হয়, তেমন কিছু তাঁরা করছেন না। তবে পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা বলছেন, শতবর্ষী বটগাছে রেস্তোঁরা করে গাছটিকে হত্যার আয়োজন করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে ঝিনাইদহ-হরিণাকুণ্ডু সড়কের চারাতলা বাজারের পাশেই রেস্তোরাঁটি অবস্থিত। হলিধানি বাজার হয়ে কাতলামারী-চারাতলা সড়ক দিয়েও সহজে পৌঁছানো যায় এখানে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাছের ওপরের দিকে এখনো সবুজ পাতায় ভরা। চারপাশে ছড়িয়ে আছে ছোট-বড় ডাল। সেই পাতার নিচে মাটি থেকে প্রায় ২৫ ফুট উঁচুতে ডালগুলো মিলিয়ে বাঁশ-কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রেস্তোরাঁ। এখনো ডালে ডালে ঝুলছে শালিক ও অন্যান্য পাখির পরিত্যক্ত বাসা। ফাস্টফুড–জাতীয় সব খাবার গাছের নিচেই তৈরি করা হচ্ছে।

গাছের গায়ে লাগানো সিঁড়ি বেয়ে রেস্তোঁরায় উঠতে হচ্ছে। সেখানে উঠে দেখা যায়, বসার জন্য রাখা হয়েছে চেয়ার–টেবিল। পাঁচ-ছয়জন কলেজপড়ুয়া কিশোর-কিশোরীকে দেখা গেল গাছের ওপর বসে মজা করছে। তবে গাছে পাখিদের কিচিরমিচির শব্দ নেই।



Source link