তারিক আনাম খান আরও লিখেছেন, ‘আতা ভাই আদ্যোপান্ত থিয়েটারে নিবেদিত একজন মানুষ, কোনো দিন শুনিনি বা দেখিনি দেরি করে রিহার্সালে এসেছেন, প্রদর্শনীতে এসেছেন। আতা ভাই রিহার্সাল কিংবা প্রদর্শনীতে থাকা মানেই মজা আর আনন্দের এক অনন্য পরিবেশ। বয়স কোনো বাধাই নয়। তাঁর সেই হাসিমাখা মুখটাই বারবার স্মৃতিতে ফুটে ওঠে। সেটাই মনে রাখতে চাই। অনন্তলোকে আনন্দে থাকুন আতা ভাই।’
বেশ কদিন ধরেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন আতাউর রহমান। গত সোমবার রাতে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। সত্তরের দশকে ব্যস্ত হয়ে যান সাংস্কৃতিক চর্চায়। একাধিক নাটকে অভিনয় করেন। আতাউর রহমান নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ‘গডোর প্রতীক্ষায়’, ‘গ্যালিলিও’, ‘ঈর্ষা’, ‘রক্তকরবী’, ‘ক্রয়লাদ ও ক্রেসিদা’, ‘এখন দুঃসময়’, ‘অপেক্ষমাণ’-এর মতো নাটকগুলোও নির্দেশনা দিয়েছেন।
