গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে প্রায় দুজন শিশু দুশ্চিন্তা, অতিচঞ্চলতা বা আচরণগত সমস্যার মতো এক বা একাধিক মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে।
গবেষকেরা উল্লেখ করেছেন, অতিরিক্ত সময় স্ক্রিন ব্যবহার বিভিন্নভাবে শিশুদের ক্ষতি করতে পারে। রাতে স্ক্রিন ব্যবহার মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে ঘুমের স্বাভাবিক চক্রকে ব্যাহত করে। এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ বসে থাকায় শারীরিক পরিশ্রম ও খেলাধুলা কমে গিয়ে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়। অতিরিক্ত সময় স্ক্রিন ব্যবহার চোখের ওপর চাপ সৃষ্টি, মাথাব্যথা এবং মনোযোগ কমিয়ে দেওয়ার কারণ হতে পারে। এ ছাড়া স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুদের অন্যদের সঙ্গে সরাসরি মেলামেশা কমে যায়, যা তাদের মন-মেজাজ, অনুভূতি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক গবেষণায়ও শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের সঙ্গে অপর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া, স্থূলতা, উদ্বেগ এবং পড়াশোনায় দুর্বল ফলাফলের যোগসূত্র পাওয়া গেছে।
প্রধান গবেষক শাহরিয়া হাফিজ কাকন প্রথম আলোকে বলেন, কোভিডের সময় ক্লাস করার জন্য ছেলে-মেয়েদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়া হয়েছিল। এখন স্কুলে সরাসরি ক্লাস হলেও হাত থেকে মোবাইল যায়নি। একধরনের আসক্তি তৈরি হয়েছে। অনেক মা–বাবার নিজেদেরই চার-পাঁচ ঘণ্টা স্ক্রিন টাইম। এ ছাড়া শহরে খেলার মাঠ নেই। এসবই শিক্ষার্থীদের এই পরিস্থিতিতে এনেছে।
