শেষমেশ চায়নাতেই অর্ডার দেওয়া হলো। চীনা কোম্পানি যখন শুনল মেড ইন সুইজারল্যান্ড লিখে দিতে হবে, আর দাম হবে ১০ লাখ (কিন্তু বিল করতে হবে ৫ কোটি ৫৫ লাখ), তারা ভাবল, চেয়ারটাকে এয়ারকন্ডিশনড করে দেওয়া যাক। শীতের সময় চেয়ারটি হবে আগুনের মতো গরম, আর গরমের সময় চেয়ার থেকে বের হবে এসির মতো ঠান্ডা বাতাস!

যথাসময়েই চেয়ারটা বাংলাদেশে ল্যান্ড করল। সমস্যা হচ্ছে, চেয়ারের সাথে যে ম্যানুয়াল, সেটা চায়নিজ ভাষার। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চেয়ার-অফিসার চায়নিজ জানেন না। ভদ্রলোক আন্দাজে যে মোডেই দেন না কেন, চেয়ার শুধু গরমই হয়, ঠান্ডা হয় না!

এই পুরো ঘটনাটাই ইন্টেরিম আমলের। বিদায়বেলায় আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি, ইউনূস স্যারের ভিআইপি প্রটোকল, তাঁর শতকোটি টাকার কর মওকুফ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতিসহ হাফ ডজন স্পেশাল ব্যবস্থা নিয়ে সবাই ব্যস্ত থাকায় চেয়ারের এই ত্রুটি তখনকার মতো চাপা পড়ে যায়।

তারপর সেই ঐতিহাসিক কামব্যাক!

বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আরাম করে চেয়ারটাতে বসতেই তারেক রহমান টের পেলেন, চেয়ার ধীরে ধীরে আগুনের মতো গরম হয়ে উঠছে! তিনি বিস্মিত গলায় চেয়ার-অফিসারকে বললেন, চেয়ার তো গরম!



Source link