এভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে ১৩ মে রিটটি করেন খায়রুল হকের ছেলে আইনজীবী আশিক উল হক। পরদিন রিটটি আদালতের কার্যতালিকায় ওঠে। শুনানি নিয়ে সেদিন আদালত আজ (১৭ মে) পরবর্তী দিন রাখেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ মধ্যাহ্নবিরতির পর শুনানি হয়।

আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, মোতাহার হোসেন সাজু, মোস্তাফিজুর রহমান খান, সাঈদ আহমেদ রাজা, আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ।

রুলে শুধু হয়রানি–অপদস্থ করার উদ্দেশ্যে বারবার এবং মিথ্যা প্রকৃতির মামলায় আবেদনকারীকে (খায়রুল হক) জড়ানোর কার্যক্রম এবং যাত্রবাড়ী ও আদাবর থানার মামলায় ৩০ মার্চ গ্রেপ্তার দেখানো কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া তাঁকে গ্রেপ্তার না করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, যাত্রবাড়ী ও আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) রিটে বিবাদী করা হয়।



Source link