রপ্তানিও পার্থক্য গড়ে দেয়
আর্থিক প্রতিবেদন বলছে, গত জানুয়ারি–মার্চ প্রান্তিকে ৩৮০ কোটি টাকার আয়ের মধ্যে বাটার রপ্তানি আয় ছিল মাত্র ছয় লাখ টাকা। সেখানে এপেক্সের ৬১৬ কোটি টাকার আয়ের মধ্যে রপ্তানি খাত থেকে আসে ৫০ কোটি টাকার বেশি। অর্থাৎ বাটার চেয়ে এপেক্স অনেক বেশি রপ্তানিনির্ভর।
রপ্তানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, স্থানীয় বাজারের চেয়ে রপ্তানি বাজার এখন অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক। বৈশ্বিক বাজার প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্থানীয় করনীতি, বৈদেশিক মুদ্রার বাড়তি দাম, ব্যাংকঋণের চড়া সুদ। ফলে জুতার ব্যবসায় স্থানীয় বাজারের বদলে রপ্তানি বাজারের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো করব্যবস্থা ও সরকারি নীতি সিদ্ধান্তের কারণে অনেক সময় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
এদিকে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে মুনাফায় বাটার চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও সর্বশেষ হিসাব বছরে মুনাফায় এগিয়ে ছিল এপেক্স। কোম্পানিটি ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মুনাফা করেছিল সাড়ে ১৩ কোটি টাকার বেশি। অন্যদিকে বাটা ২০২৫ সালে মুনাফা করে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। বাটা আর্থিক হিসাব করে জানুয়ারি–ডিসেম্বর ভিত্তিতে; আর এপেক্স হিসাব করে অর্থবছরের (জুলাই–জুন) সঙ্গে মিলিয়ে।
