এসি নষ্ট হলে মেকানিক ডাকার ঝামেলাও এখন কমিয়ে আনছে আধুনিক প্রযুক্তি। ওয়ালটন এসিতে রয়েছে ‘এআই ডক্টর’ প্রযুক্তি। এসিতে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে এই স্মার্ট এসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে মেসেজ পাঠিয়ে দেয়, ফলে ব্যবহারকারী জানার আগেই সমাধান পৌঁছে যায় দোরগোড়ায়।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঝামেলা মেটাতে যমুনা এসিতে আছে ‘হাই-টেম্পারেচার সেলফ ক্লিনিং’ প্রযুক্তি, যা ৪টি স্বয়ংক্রিয় ধাপে ভেতরের বরফ ও ধুলা পরিষ্কার করে এয়ারফ্লো মসৃণ রাখে। এ ছাড়া সুরক্ষার জন্য ট্রান্সকমের এসিতে ব্যবহৃত হয়েছে স্মার্ট সেন্সর ও পিসিবি প্রোটেকশন। কোনো অস্বাভাবিক ভোল্টেজ বা ত্রুটি দেখলে এটি এরর কোড দেখিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসি বন্ধ করে দেয়, যা শর্টসার্কিট বা বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে বাঁচায়।
প্রযুক্তিগত এই যুগান্তকারী পরিবর্তনের ফলে এসি এখন আর শুধু আভিজাত্য বা আরামের বস্তু নয়, বরং আধুনিক ও সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম অপরিহার্য অনুষঙ্গ। দেশীয় আবহাওয়া এবং ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে উদ্ভাবিত অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আছে ভিশন, এলিট–হাইটেক ও মিনিস্টার এসিতেও। দেশের এসির বাজার এখন বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রস্তুত।
