ঘটনার পর থেকে ওই প্রকৌশলীর মুঠোফোন বন্ধ ছিল এ জন্য তাঁর সঙ্গে কথা বলা যায়নি। আজ মঙ্গলবার দুপুরের পর তাঁর সঙ্গে কথা হয়। তিনি দাবি করেছেন, ‘যারা হামলা করতে এসেছিল, তাদের দেখে সন্ত্রাসী মনে হয়েছে। এলাকায় হয়তো প্রভাব আছে, এ জন্য হামলা করেছে। ছোট ছেলেটা বেশি মার খেয়েছে। পরে আমাকেও মারধর করে। এখন আইনি ঝামেলায় পড়ার আশঙ্কায় তারা আমার নামে নেগেটিভ কথা বলছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি অন্য জেলায় থাকি, সরকারি চাকরি করি, যা হওয়ার হয়েছে। এখন আবার মামলা-মোকদ্দমা করে বিড়ম্বনায় পড়তে চাই না।’

ওই ট্রেনে দায়িত্বে থাকা এএসআই শামীম আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বলেন, ‘প্রথমে কথা-কাটাকাটি হলে আমরা মিটমাট করে দিই। ব্যাগ রাখা নিয়ে গন্ডগোল। উত্ত্যক্ত করার ঘটনা নয়। মিটমাট করে দিলেও এলাকায় গিয়ে লোকজন নিয়ে এসে দুই নারী এমন হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন।’

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘হামলার শিকার ওই ব্যক্তি তো কোনো অভিযোগ করতে চান না। অভিযোগ করলে যারা হামলা করেছে, তাদের শনাক্ত করার সুযোগ রয়েছে।’



Source link