সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে সজলের আঙুরবাগানের খবর এখন সবার মুখে মুখে। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন বাগানের সৌন্দর্য দেখতে। দর্শনার্থীরা শুধু বাগান দেখেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না, বরং গাছ থেকে টাটকা ও মিষ্টি আঙুর পেড়ে খাচ্ছেন এবং পরিবারের জন্য কিনেও নিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ নিজেরাও চাষ করার স্বপ্ন নিয়ে আঙুরের চারা কিনে নিচ্ছেন। বর্তমানে সজলের বাগান ও নার্সারিতে ১৪ জাতের আঙুরগাছ ও চারা আছে। এর মধ্যে ‘বাইকুনুর’ জাতের আঙুরটি সবচেয়ে বেশি সাড়া ফেলেছে।

গত শুক্রবার সজলের বাড়িতে গিয়ে দর্শনার্থীর ভিড় দেখা গেল। নিজের ছেলে ও সহকর্মীদের নিয়ে আঙুরবাগান দেখতে এসেছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আঞ্চলিক কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন। গাছ থেকে টাটকা আঙুর পেড়ে খাওয়ার পাশাপাশি দুই কেজি আঙুর কিনেছেন তিনি। সঙ্গে নিয়েছেন আঙুর, পার্সিমন, চায়না সিডলেস লেবু ও আপেলের চারা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, দেশে আঙুরের চাষ হচ্ছে, এটা খুবই ভালো লাগার বিষয়। পরীক্ষামূলকভাবে বাসার ছাদে চাষ করার জন্য তিনি চারা নিয়েছেন, পরে মাঠে চাষ করার ইচ্ছা আছে।



Source link