দাম বাড়ছে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশে ৫০ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো মৌসুমের ধান চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্য ২ কোটি ২৭ লাখ টন। দেশের ধান উৎপাদনের ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ আসে বোরো মৌসুম থেকে। বিবিএসের হিসাবে, গত বোরো মৌসুমে দেশে ২ কোটি ১৩ লাখ টনের কিছু বেশি চাল উৎপাদিত হয়েছিল।
মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের বরিশাল রাইস এজেন্সির ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন রেজা প্রথম আলোকে বলেন, বোরো মৌসুমে চালের দাম কমে। এবারও অনেকটা কমছিল। সেটা এখন বাড়ছে।
একই কথা বলেন পুরান ঢাকার বাবুবাজারের চালের আড়ত শিল্পী রাইস এজেন্সির মালিক কাওসার রহমান। তিনি বলেন, নতুন চালের চাহিদা সাধারণত কম থাকে। পাইকারিতে সপ্তাহখানেক আগে আসা সরু চাল পুরোনো চালের চেয়ে কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হয়েছিল। এখন আবার কেজিতে ৪-৫ টাকা বেড়েছে। একই রকমভাবে কমেছিল মোটা ও মাঝারি চালের দরও। এখন আবার সব ধরনের চালের দাম ২ থেকে ৫ টাকা বাড়তি।
বাবুবাজারে নতুন মোটা চাল প্রতিকেজি ৪৫-৪৬ টাকা, পাইজাম ও বিআর-২৮ চাল ৫১-৫২ টাকা, মিনিকেট ৬০-৬৬ টাকা ও নাজিরশাইল মানভেদে ৭০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, খুচরা বাজারে মোটা চালের কেজি মানভেদে ৪৮ থেকে ৬০ টাকা। মাঝারি চালের দাম ৫২ থেকে ৬৮ টাকা। সরু চাল ৭০ থেকে ৮৫ টাকা।
কয়েক বছর ধরে চালের দাম চড়া। কম ছিল ২০২০ সালের শুরুতে। টিসিবির হিসাবে, ২০২০ সালে ১ জানুয়ারি মোটা চালের কেজি ছিল ৩০-৩৫ টাকা। মাঝারি চাল ৪০-৫০ টাকা ও সরু চাল ৪৫-৬০ টাকা কেজিতে পাওয়া যেত। অবশ্য ওই বছর মার্চ থেকে দাম বাড়তে থাকে।
