মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজনৈতিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জেরে ১৪ মে সন্ধ্যা থেকে ১৫ মে রাত পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হুজ্জাতুল ইসলামের ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানিকর অডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্যও প্রচার করা হয়েছে। তাঁকে ‘গুপ্ত ছাত্রলীগ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও বিপদে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত মুঠোফোনে কল দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়, ১৬ মে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতের কাছে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডির পরিচয় শনাক্ত, ট্র্যাকিং এবং অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিকৃত ছবি ও অডিও অপসারণের আবেদন জানানো হয়েছে।



Source link