পরিবেশ ও নদীনীতির ক্ষেত্রেও সরকারের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। খাল খনন ও পাঁচ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচিকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, নদী ও পরিবেশকে সমন্বিতভাবে না দেখে বিচ্ছিন্ন প্রকল্প হিসেবে নিলে কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না। তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নজরুল ইসলাম। তাঁর অভিযোগ, বড় প্রকল্পগুলোয় স্বচ্ছতা ও জন–আলোচনার ঘাটতি রয়েছে।

বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রেও সরকারের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই গবেষক। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে জনগণকে আস্থায় নেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, অনেক বছর পর দেশে আবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এ যাত্রা টিকিয়ে রাখতে সরকারকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ হতে হবে।

সামগ্রিক বিষয়ে আগামী দিনে সরকারের করণীয় হিসেবে ১০টি অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। এগুলো হলো অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস, সুশাসন, আনুপাতিক নির্বাচন, পরিবেশ সুরক্ষা, গ্রাম পরিষদ গঠন, বিকেন্দ্রীকরণ, সামাজিক সংহতি, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ মনোযোগ, সর্বজনীন সামরিক শিক্ষা এবং নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতি। তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রগুলোয় সমন্বিত পদক্ষেপ ছাড়া টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়।



Source link