বিষয়টি নিয়ে ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে গঠিত গবেষণা সংস্থা বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) চেয়ারম্যান আবুল কাসেম খান প্রথম আলোকে বলেন, যাদের ঘুরে দাড়ানোর সুযোগ আছে—এমন প্রতিষ্ঠান বাছাই করে ঋণ দেওয়া উচিত। এ জন্য একটি বিশেষজ্ঞ দল তৈরি করা যেতে পারে। বন্ধ হয়নি, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় মন্দাভাব আছে—এমন প্রতিষ্ঠানও যেন ঋণ পায়, সেই সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।

প্রণোদনা তহবিল থেকে সৃজনশীল অর্থনীতি (ক্রিয়েটিভ ইকোনমি) খাতেও অনুদান দেওয়া হবে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা বলছেন, খেলাধুলা, থিয়েটার, সিনেমা, সংগীত—এসবকে বিনোদন হিসেবে দেখা হতো এত দিন। এখন দেখা হবে অর্থনৈতিক খাত হিসেবে।

কর্মকর্তারা আরও বলছেন, জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (ইউনেসকো) পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, বিশ্বে সৃজনশীল খাত দ্রুত বড় হচ্ছে, যা তরুণদের কর্মসংস্থানের বড় উৎস এবং এ খাত থেকে রপ্তানি আয়ের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য সরকার এ খাতে গুরুত্ব দিচ্ছে।



Source link