জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শহরের টেপাখোলা মাছবাজারের একটি আড়ত থেকে আনন্দ ফকিরকে আটক করা হয়। পরে তাঁর মুঠোফোন তল্লাশি করে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে খসরু আলম খানকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে শাহরিয়ার শিথিল গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই গতকাল আমাদের টেপাখোলা এলাকায় আওয়ামী লীগের আগুন–সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনাকারী যুবলীগ নেতা খসরু ও জনবল জোগান দাতা বিন্দু সম্প্রদায়ের আনন্দ ফকিরকে সচেতন জনগণের সহায়তায় পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়, ইনশা আল্লাহ, জড়িত বাকি সবাইকে খুব দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
তবে ‘স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন’—এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, ‘ওই দুই ব্যক্তিকে স্থানীয় জনগণ আটক করে আমাদের কাছে দিয়েছেন। পরে আমাদের থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গিয়ে আটক করে নিয়ে থানায় আসছেন।’
