এ প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার পর প্রথম নৌশুমারি নিছক একটি তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নয়; এটি হতে পারে নৌ নিরাপত্তার ভিত্তিপ্রস্তর। কারণ, রাষ্ট্র এখন প্রথমবারের মতো অনুধাবন করতে পারছে—বাস্তবিক অর্থে কত নৌযান দেশের নদ-নদীতে চলমান। এ জ্ঞানই নিয়ন্ত্রণের পূর্বশর্ত, আর নিয়ন্ত্রণই নিরাপত্তার প্রারম্ভিক শর্ত।

তবে শঙ্কার বিষয় এই যে যদি এই বিপুল তথ্যভান্ডার কেবল ডেটাবেজের নিস্তব্ধতায় আবদ্ধ থাকে, তবে তার কোনো বাস্তব ফলপ্রসূতা থাকবে না। পরিসংখ্যান তখন কেবল সংখ্যার অলংকার হয়ে থাকবে, জননিরাপত্তার রক্ষাকবচ হয়ে উঠবে না। ফলে প্রতিটি নৌযানকে নিবন্ধন, সার্ভে, ফিটনেস সার্টিফিকেট, চালকের যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ, রুট পারমিট এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জামের সঙ্গে আবদ্ধ করা অপরিহার্য।

বিশেষত বাল্কহেড, ড্রেজার, স্পিডবোট ও যাত্রীবাহী নৌযানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিভিত্তিক নজরদারি প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি। এদের গতি, আকার ও ব্যবহারগত বৈচিত্র্য নৌপথে বহুমাত্রিক ঝুঁকি সৃষ্টি করে; ফলে একটি সমন্বিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক তদারকি কাঠামো ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অসম্ভব।



Source link