আবু হাইকাল বলেন, ‘সেখানে কোনো নির্দিষ্ট চেকপোস্ট ছিল না, সেনারা শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। আমাকে থামতে বলা হলে আমি থামি, আর তখনই গোলাগুলি শুরু হয়।’

এই ফিলিস্তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। তিনি বলেন, এর জন্য দায়ী সেনাকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

‘আমি দাবি করি এবং আশা করি, যদি কোনো বিবেক, আইন বা নৈতিকতা অবশিষ্ট থাকে, তবে যে সেনা গুলি ছুড়েছে, তাকে জবাবদিহি করতে হবে। তদন্ত ও বিচার ছাড়া এই মামলা কোনোভাবেই বন্ধ করা উচিত নয়। অন্ততপক্ষে আমি হাল ছাড়তে রাজি নই।’

এদিকে সাধারণ নাগরিকদের এমন ক্ষতির জন্য ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেছে আইডিএফ। তারা বলছে, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

একই রকম আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল গত ১৫ মার্চ। উত্তর জর্ডান উপত্যকার তামৌন গ্রামে ইসরায়েলি সেনারা একটি গাড়িতে গুলি চালিয়েছিল। এতে এক ফিলিস্তিনি দম্পতি এবং তাঁদের দুই শিশুসন্তান নিহত হয়।



Source link