তবে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাসের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তির এ দাবি ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’।
মুখপাত্র বলেন, ‘ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালায় না, সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি তো দূরের কথা। ইসরায়েলের গোয়েন্দা তৎপরতা মূলত শত্রুদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়, মিত্রদের বিরুদ্ধে নয়। এর বিপরীত যেকোনো দাবি হয় ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা, নয়তো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তাও এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, ‘এই পুরো খবরটিই মিথ্যা। এমন একজনের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই খবর তৈরি করা হয়েছে, যার চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো ধারণাই নেই।’
ডিআইএ-সহ যুক্তরাষ্ট্রের সব গোয়েন্দা সংস্থাকে তদারকি করার দায়িত্বে থাকা ‘অফিস অব দ্য ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স’ (ওডিএনআই) এ বিষয়ে মন্তব্য করার অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
