শরিফুল ইসলামের মতো অনেক মানুষ অভিযোগ করেছেন, মোকামে চামড়া বিক্রি করতে এসে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না।
এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি ও পাইকারি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা সত্য যে ওই ব্যক্তির দুটি গরুর চামড়া সরকারি বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি হলে ১ হাজার ২৫০ টাকার বেশি দাম পেতেন। কিন্তু আমরা ট্যানারিমালিকদের কাছে সরকারি বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করতে পারছি না। যে কারণে সরকারি বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া কেনাও আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’
গিয়াস উদ্দিন আরও দাবি করেন, ট্যানারির মালিকের প্রতিনিধিরা তাঁদের বলছেন, চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কেমিক্যালের দাম বেড়েছে। এ জন্য তাঁরা সরকারি দাম দিতে পারছেন না। লবণ ও শ্রমিকের মজুরি বেশি। ফলে দিন দিন চামড়ার দাম কমে যাচ্ছে।
আজ শুক্রবার কোরবানি ঈদের প্রথম দিন দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম চামড়ার পাইকারি মোকাম রাজারহাটে গিয়ে দেখা গেছে, মৌসুমি ও আড়তদার ব্যবসায়ীরা শ্রমিকদের মাধ্যমে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ করছেন। কাঁচা চামড়ায় লবণ মাখাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকেরা। অনেকে আজও গরুর চামড়া বিক্রি করতে হাটে এসেছেন। কিন্তু সরকারি বেঁধে দেওয়া গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৫২ থেকে ৫৫ টাকা দরে কোথাও বেচাকেনা হতে দেখা যায়নি।
