নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক স্বজনের দাবি, ঘরে সংরক্ষিত খাদ্যশস্যে ব্যবহারের ওষুধ সেবনের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি (রাকিব) তাঁর ফেসবুক আইডিতে তাঁর মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করেননি; আর পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নুরুল হকের হস্তক্ষেপে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’
ফেসবুকে দেওয়া শেষ স্ট্যাটাসে রাকিব লিখেছেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। একটা মানুষ জীবনে কত যুদ্ধ করতে পারে? যুদ্ধ করতে করতে আজ আমি ক্লান্ত।’ স্ট্যাটাসে তিনি মায়ের পাশে দাফনের ইচ্ছা, পরিবারের কিছু সদস্যের প্রতি ক্ষোভ এবং পরিচিত কয়েকজনের প্রতি কৃতজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘দুনিয়ার মায়া মানুষ কখন ছাড়ে, কেউ কি বলতে পারেন?’
