শিক্ষার জাগরণ
ম্রো সমাজের মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সুয়ালক ম্রো আবাসিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগে তাদের শিক্ষার হার ছিল শূন্য। এই বিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছে শিক্ষার জাগরণ। এখানকার শিক্ষার্থীরা পরবর্তী সময়ে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
মৌজাপ্রধান রাংলাই ম্রো, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য সিংইয়ং ম্রো, সিয়ং খুমি, লেখক ও গবেষক ইয়াংঙান ম্রো, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী প্রেনচ্যুং ম্রোসহ অনেকেই এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাঁদের অনেকে শিক্ষকতা করেছেন, ছাত্রাবাস গড়ে তুলেছেন ও নতুন প্রজন্মের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রেখেছেন।
থানচিতে আশার আলো ছাত্রাবাস ও আলীকদমে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আলীকদম ম্রো কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার পেছনেও এই শিক্ষিত প্রজন্মের অবদান রয়েছে। পরে শান্তিচুক্তির পর বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা ছোট ছোট বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করায় ম্রো শিশুদের শিক্ষার সুযোগ আরও বেড়েছে।
