করব্যবস্থায় দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় ট্যাক্সেশনে। এ কারণে করব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বন্দরে পণ্য আসা থেকে খালাস হওয়া পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের যে অতিরিক্ত ব্যয় হয়, তা কমিয়ে আনা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রসঙ্গ টেনে অর্থমন্ত্রী বলেন, পণ্যের রাসায়নিক বা কেমিক্যাল পরীক্ষার জন্য আর ঢাকার ল্যাবরেটরির ওপর নির্ভর করতে হবে না। এই দায়িত্ব চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সকে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরে পণ্য খালাসে বাধা হয়ে থাকা স্ক্যানিং মেশিনের কাজও করবে চট্টগ্রাম চেম্বার।
বিনোদন ও সংস্কৃতির বাণিজ্যিক বিকাশে ঢাকার কাছাকাছি ১৬০ একর জমিতে একটি ‘থিয়েটার ডিস্ট্রিক্ট’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী। সেখানে থিয়েটার, স্ট্যান্ডআপ কমেডি, ডিজাইনার ও পেইন্টারদের জন্য সুযোগ থাকবে।
