প্রথম বছরেই লাভের মুখ দেখেছেন ইমাম হাসান। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ টাকার চারা বিক্রি করেছেন। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, যশোর ও নওগাঁসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে চারা কিনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু চারা বিক্রিই নয়, আঙুর বিক্রি করেও আয় করেছেন প্রায় ২১ লাখ টাকা।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও চাষির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাগানে ৩৬০টি গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে গড়ে ২০ কেজি করে আঙুর পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার ২০০ কেজি আঙুর বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি আঙুর বিক্রি হয়েছে ৩০০ টাকা দরে। সব মিলিয়ে আঙুর বিক্রি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ২১ লাখ টাকা। উৎপাদনে খরচ হয়েছে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা।

ইমাম হাসান ও তাঁর বাবা বোরহান উদ্দিন বলেন, প্রথম বছরেই এমন সাফল্য পাবেন, তা তাঁরা ভাবেননি। তাঁদের মতে, অন্য অনেক ফসলের তুলনায় আঙুর চাষ বেশি লাভজনক।



Source link