অন্যদিকে নেতানিয়াহু চাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অমান্য করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হওয়া প্রায় নিশ্চিত। আর সেই লড়াইয়ে ইসরায়েলকে সম্ভবত একেবারেই একা হয়ে পড়তে হতে পারে।

এখন বড় প্রশ্ন হলো, ইরান কি এতটাই আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী হয়ে উঠেছে যে তারা এমন একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধেও অতিরিক্ত চাল চালবে, যিনি স্পষ্টভাবে একটি সমঝোতা চাইছেন? অর্থাৎ, ইরান কি ট্রাম্পকে এতটাই হতাশ করতে পারে যা তাঁকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে সেই সামরিক অভিযান পুনরুজ্জীবিত করতে বাধ্য করবে, যা না করার জন্য তিনি নেতানিয়াহুকে নির্দেশ দিয়েছিলেন?

অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ড বলছে, ইরান এমন ভুল করার মতো বোকা নয়। তারা আসলে অনেক চতুর। ফলে পরিস্থিতি এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, এক প্রতারক ইরানের কাছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট অনেকটা অনুনয় করছেন। আর এর মাঝখানে পড়ে গেছে ইসরায়েল।



Source link