গত এক বছরে আনচেলত্তি ব্রাজিলের যত জায়গাতেই গিয়েছেন, সব জায়গাতেই তাঁকে একটি প্রশ্ন বারবার শুনতে হয়েছে—‘নেইমারকে বিশ্বকাপে নিচ্ছেন তো?’ প্রতিবারই তিনি হেসে জবাব দিয়ে বলেছেন, বিবেচনায় আছে। তবু কারও শঙ্কা দূর হচ্ছিল না। এমনকি নেইমারও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কিছুটা আশান্বিত হয়ে পড়েন। কারণ, যতবারই খেলার জন্য সুস্থ হচ্ছিলেন, ততবারই কোনো না কোনো নতুন চোট বাধা দিচ্ছিল। তবে সব শঙ্কা দূর করে সেলেসাওদের ‘নাম্বার টেন’র ওপর ভরসা রেখেছেন কার্লো আনচেলত্তি। বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর এ খবরে পুরো ব্রাজিলজুড়ে সমর্থকদের উল্লাসই বলে দেয় তাঁরাও নেইমারের ওপর কতটা ভরসা করেন।
বিশ্বকাপ দলে নেইমারের অন্তর্ভুক্তির পর পুরো দলের চেহারাও যেন পরিবর্তন হয়ে গেছে। সতীর্থরা সবাই খুশি। সমর্থকেরাও খুশি। সেই সঙ্গে সবার মধ্যে আবারও ‘হেক্সা’ জয়ের প্রত্যাশা নতুন করে জেগেছে। তবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা বহুল কাঙ্ক্ষিত ‘হেক্সা’ জিততে পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। সেই পর্যন্ত আশাবাদী হতে দোষ কোথায়!
