জুলে রিমের জন্য এটা ছিল মোক্ষম সুযোগ। এমন কিছুর অপেক্ষাতেই ছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সঙ্গে এক দফা তর্কবিতর্কের পরই জুলে রিমে সিদ্ধান্ত নিলেন, এবার যে করেই হোক নিজেদের টুর্নামেন্ট আয়োজন করতেই হবে। ২৮ মে ১৯২৮ নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে প্রথমবারের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, মাঠে গড়াবে ফিফার নিজস্ব টুর্নামেন্ট। এ যেন ফুটবলের অলিম্পিক।

১৯৩০ বিশ্বকাপের জন্য আগ্রহ দেখিয়েছিল মোট চারটি ইউরোপিয়ান দেশ। কিন্তু ইতালি ও স্পেনের মতো হেভিওয়েটদের পাশে রেখে প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপের ভেন্যু ঠিক করা হলো উরুগুয়েকে। পরপর দুই অলিম্পিক জয়, সেই সঙ্গে স্বাধীনতার শতবর্ষ উদ্‌যাপন, সব মিলিয়ে উরুগুয়ে ছিল বিশ্বকাপের জন্য মোক্ষম মঞ্চ।

২৬ বছরের স্বপ্ন এখন হাতের মুঠোয়। অপেক্ষা শুধু বল মাঠে গড়ানোর। অলিম্পিককে দেখিয়ে দেওয়ার মিশন থেকে যে টুর্নামেন্টের সূচনা, কে জানত, সেই টুর্নামেন্ট একদিন ছাড়িয়ে যাবে সব রেকর্ড!

রাত গড়ালেই সেই বিশ্বকাপের ২৩তম আসর গড়াবে মাঠে। সেই বিশ্বকাপের আগে ৫০ দিন ধরে আমাদের আয়োজন তো পড়লে, এখন চোখ রাখো টিভির পর্দায়, দেখো বিশ্বকাপের আমেজ ঠিক কতটা মজাদার।



Source link