সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই পদক্ষেপের বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করা হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

ওয়াশিংটনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শুক্রবার বলেছেন, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে সই করলে বা বৈঠকে অংশ নিলেই ইরানের অর্থ ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, সম্ভাব্য চুক্তিটি এমনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে ইরান তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করলেই কেবল অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে।

আমিরাতের পদক্ষেপের বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য চাওয়া হলে ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা সূত্রগুলোর কেউই নিজেদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি।

এই সমঝোতা যুদ্ধের বেশির ভাগ সময়জুড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানের মধ্যকার প্রকাশ্য শত্রুতা থেকে একটি নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। যুদ্ধের মধ্যে ইরানের হামলায় দুবাইয়ের হোটেলগুলো খালি হয়ে গিয়েছিল, অনেক প্রবাসী আমিরাত ছেড়ে পালিয়েছিলেন এবং একটি শীর্ষস্থানীয় নিরাপদ ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যে সুনাম ছিল, তা মারাত্মকভাবে ধাক্কা খেয়েছিল।



Source link