অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৫ লাখ আফ্রিকান অভিবাসীর কাছে এই ত্রয়ী এখন মহাতারকা। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বৈতরণি পার হয়ে প্রথমবারের মতো কোনো নকআউট ম্যাচ জেতার স্বপ্ন দেখছে অস্ট্রেলিয়া, আর সেই স্বপ্নপূরণের অন্যতম ভরসা এ তিনজনই।

আর তাদের জন্যও এটা শুধু বিশ্বকাপে পারফর্ম করার মঞ্চই নয়, অস্ট্রেলিয়াকে কিছু দেওয়ার সুযোগও। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির লিগে খেলা ২২ বছর বয়সী তুরের কথাটাই শুনুন, ‘অস্ট্রেলিয়া আমাদের বেঁচে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে। আমার মনে হয়, দেশের হয়ে অবদান রাখাই হলো সেই ঋণ শোধ করার সেরা উপায়।’

দলেরও তাঁর কাছ থেকে প্রত্যাশা বেশি। মাত্র ১০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও নরউইচ সিটিতে ১১ ম্যাচে ৯ গোল করা এই স্ট্রাইকারই অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পপোভিচের প্রথম পছন্দ।



Source link