বাঁ প্রান্ত দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় তিনি শরীরের ভঙ্গিতে এমন ইঙ্গিত দেন যেন বাম দিকেই যাবেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে বাম পা থেকে ডান পায়ে বল সরিয়ে নেন, তারপর আরেকটি স্পর্শে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ওঠেন। ফুলব্যাকের তখন কিছুই করার থাকে না।

এই কাজ ভিনি রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে অনেকবার করেছেন। দেখতে যত সহজ লাগে, আসলে ততটা নয়। ফিনিশিংও ছিল অনেক দিন মনে রাখার মতো। আর এ কারণেই তিনি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন। বলা যায়, দলের সেরা খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই শেষ পর্যন্ত আনচেলত্তির হতাশাজনক ব্রাজিল দলকে প্রথমার্ধে রক্ষা করেছে।

বিরতির পর স্বাভাবিকভাবেই আনচেলত্তি একাধিক পরিবর্তন আনেন। প্রথমার্ধে বাজে খেলা ইবানিয়েজ ও কাসেমিরোকে তুলে মাঠে নামান ফাবিনিও ও দানিলোকে। এরপর ৬১ মিনিটে তুলে নেন ইগর থিয়াগো ও লুকাস পাকেতাকে, এ দুজনের বদলে নামেন মাতেউস কুনিয়া ও লুইস এনরিকে।



Source link