শাড়ি-পাঞ্জাবি দিবস ঘিরে নানা পরিকল্পনা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মির্জা সাবিহা জানালেন, বিইউপিতে পোশাকের কিছু বিধিনিষেধ আছে। মেয়েরা শাড়ি পরতে পারলেও নববর্ষের মতো উৎসব ছাড়া অন্যান্য সময়ে ছেলেরা পাঞ্জাবি পরতে পারেন না। সাবিহা বলেন, ‘শা-পা ডেতে ছেলেরা পাঞ্জাবি পরার সুযোগ পায়। তখন শাড়ি আর পাঞ্জাবিতে সবাইকে একসঙ্গে সুন্দর লাগে। এই স্মৃতি ধরে রাখতে নানা প্ল্যান থাকে।’ দলগত ছবি ছাড়াও বন্ধুরা ছোট ছোট দল ক্যাম্পাসের নানা জায়গায় ছবি তোলে। মেহেদী বলছিলেন, ‘আগে থেকেই ঠিক করা হয় কী কী ধরনের ছবি তোলা হবে। ক্যাম্পাস নিয়ে ট্রেন্ডি রিলসগুলো রিক্রিয়েট করা হয়। কখনো কখনো এটার জন্য প্র্যাকটিসও করা হয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক তাবাসসুম নুহা। তিনি আবার এই বিভাগেরই প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। স্মৃতি হাতড়ে বললেন, করোনা মহামারির কারণে স্নাতক শেষের সময়টা ক্যাম্পাসে আসতে পারেননি। তাঁরা শাড়ি-পাঞ্জাবি দিবস উদ্‌যাপন করেছিলেন স্নাতকোত্তরের শেষে। তিনি বলেন, ‘আজ যখন বিইউপিতে শিক্ষার্থীদের শা-পা দিবস উদ্‌যাপন করতে দেখি, তখন যেন নিজের সেই দিনগুলোতে ফিরে যাই। এদিন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মিলিয়ে একই রঙের শাড়ি পরে আসতে চেষ্টা করি। ফলে স্মৃতির সঙ্গে একটু হলেও সংযোগটা রক্ষা হয়।’ এই উদ্‌যাপনের সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের অংশ হয়ে থাকবে, এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।



Source link