প্রশ্ন থেকেই যায়

এই ‘ঘরে ফেরা’র ধারণাটি বেশ আকর্ষণীয়। এটি মানুষের মনোজগতে একটি বড় প্রভাবও ফেলবে। কিন্তু এটি বাস্তবে কতটা সম্ভব? যেসব ছেলেমেয়ে নিজেদের পথ নিজেরাই তৈরি করবে বলে ঘর ছেড়েছিল, তারা আবার ঘরে ফিরলে কি তাদের খোলা হাতে স্বাগত জানানো হবে? বিষয়টা কতটা কাজে দেবে?

কারণ, দল ভাঙা বা ছাড়া সব সময়ই খুব সহজ। কিন্তু পুরোনো রাগ, ক্ষোভ ও অপমান ভুলে গিয়ে আবার পুরোনো জায়গায় ফিরে আসাটা অনেক বেশি কঠিন।

মমতা বা পাওয়ার কি এখন রাহুল গান্ধীর অধীনে কাজ করতে পারবেন? যদিও নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের কাজ করতে হবে দলীয় সভাপতি ও প্রবীণ নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের অধীনে।

এসব নেতাকে কি নিজেদের রাজ্যে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা দেওয়া হবে? আরও বড় প্রশ্ন হলো, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যেসব কর্মী একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ ও কাদা–ছোড়াছুড়ি করেছেন, তাঁরা কি এখন এত সহজে একে অপরকে মেনে নিতে পারবেন?



Source link