নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা
সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ পর্যটকদের উদ্ধার তৎপরতায় নিয়োজিত আছেন বেসরকারি সি-সেফ লাইফগার্ড প্রতিষ্ঠানের ২৭ জন কর্মী। রমজানের পুরো এক মাস লাইফগার্ড কর্মীরা অলস সময় পার করলেও গতকাল সকাল থেকে সবাইকে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। গোসলের ফাঁকে কেউ গভীর সাগরের দিকে চলে গেলে তাঁকে উদ্ধার করা, স্রোতের টানে কেউ ভেসে গেলে তাঁকে টেনে তুলে আনা—সবকিছু নজরদারিতে রাখতে হয়। বালুচরে কয়েকটি ওয়াচ টাওয়ারে বসে লাইফগার্ড কর্মীরা পানিতে নামা পর্যটকদের নজরদারিতে রাখেন।
গতকাল লাখো পর্যটক সৈকতে পানিতে নেমে গোসল সারলেও কেউ দুর্ঘটনার কবলে পড়েননি জানিয়ে সি-সেফ লাইফগার্ডের ব্যবস্থাপক ইমতিয়াজ আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, সৈকতের কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটারে গোসলে নেমে কোনো পর্যটক নিখোঁজ হলে কিংবা গুপ্তখালে আটকা পড়লে উদ্ধার তৎপরতার জন্য ২৭ জন লাইফগার্ড আছেন। কিন্তু কলাতলী থেকে দক্ষিণ দিকে টেকনাফ পর্যন্ত দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী, পাটোয়ারটেক, বাহারছড়া, টেকনাফ সৈকতে গোসলে নেমে কোনো পর্যটক নিখোঁজ হলে উদ্ধার তৎপরতা চালানোর মতো সেখানে কেউ নেই। এ ক্ষেত্রে পর্যটকদের সতর্ক থাকতে হয়। কারণ, ওই সব পয়েন্টেও শত শত পর্যটক গোসলে নামেন।
