ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় ড্রোন অনেক ছোট, ধীরগতির এবং অনেক নিচ দিয়ে ওড়ে। তাই পাখি বা ভবন থেকে ড্রোনকে আলাদা করতে রাডারগুলোকে বিশেষভাবে কাজ করতে হয়। অবশ্য শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের কর্কশ শব্দ শনাক্ত করতে সেন্সর নেটওয়ার্কও ব্যবহার করা হচ্ছে।

উপসাগরীয় দেশগুলো মূলত ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ধরে রাখতে যুদ্ধবিমানের ওপর নির্ভর করছে। কারণ, একেকটি মার্কিন প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ৪০ লাখ ডলার। অন্য সব ব্যবস্থা ব্যর্থ হলেই কেবল ড্রোন ঠেকাতে এই দামি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলো ইউক্রেনের পরামর্শ নিচ্ছে। ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর থেকে এ ধরনের ড্রোন মোকাবিলায় ইউক্রেন বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্লাই গ্রুপ’-এর জ্যেষ্ঠ নির্বাহী আনাতোলি খ্রাপচিনস্কি বলেন, ড্রোন ঠেকানোর অন্যতম সাশ্রয়ী উপায় হলো অন্য কোনো বিশেষ ড্রোন দিয়ে সেটিকে প্রতিহত করা।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ইউক্রেনের তৈরি এমন ১০ হাজার ইন্টারসেপ্টর ড্রোন মধ্যপ্রাচ্যে পাঠিয়েছে। এ ছাড়া ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় ইউক্রেন একটি বিশেষজ্ঞ দলও সেখানে পাঠিয়েছে।

আনাতোলি বলেন, ‘যুদ্ধবিমান আপনার প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অংশ হতে পারে; কিন্তু ভিত্তি নয়। শত্রু যদি শত শত সস্তা ড্রোন ছোড়ে আর আপনি সেগুলো লাখ লাখ ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করেন, তবে দীর্ঘ মেয়াদে আপনার এই মডেল কাজ করবে না।’



Source link