তানোরের মুন্ডুমালা পৌর এলাকার বাসিন্দা আবদুল আউয়ালের এবার ৬০০ বস্তা আলু হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০ বস্তা আলু ইতিমধ্যে তিনি হিমাগারে তুলে ফেলেছেন। বাকি ৩০০ বস্তা আলুর জন্য বস্তা খুঁজে পাচ্ছেন না। গত বছর যে বস্তার দাম সর্বোচ্চ ৮০ টাকা ছিল, এবার সেই বস্তা ১৮০ টাকা হয়েছে। গতকাল সেই বস্তার দাম চাইছে ১৯৫ টাকা। শেষ পর্যন্ত তিনি বস্তা না কিনে ফিরে এসেছেন। তিনি বলেন, স্টোর মালিকেরা নিশ্চিত একটা সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। যে কারণে আলুর দামও পড়ে গেছে। বুধবার যে আলু ১৬ টাকা ছিল, বৃহস্পতিবার সেই আলু ১৩ টাকাও নিতে চাচ্ছে না।
মুন্ডুমালা পৌর এলাকার চুনিয়াপাড়া মহল্লার কৃষক শামসুজ্জামান ১০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন। তাঁর ৫০০ বস্তা চালু হয়েছে। তিনি বলেন, বুধবার ১৬ টাকা কেজি দরে আলুর দাম মিটিয়ে ব্যবসায়ী তাঁকে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম বায়না দিয়ে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই ব্যবসায়ী আলুর দাম ১৩ টাকার বেশি নিতে পারবেন না জানিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বলে গেছেন, অগ্রিম টাকাও ফেরত নেবেন না।
