রাতে ফিলিং স্টেশনে থাকা কর্মী সোহান ইসলাম বলেন, ‘ম্যানেজার নাহিদ কাকাকে সুজাত বলেছিল, তুই তেল না দিলে তোকে আজকে গাড়িচাপা দিয়ে মেরে দেব। তেল না থাকায় তাকে তেল দেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু ট্রাক নিয়ে তিনি পাম্পেই বসে ছিল। রাত দুইটার দিকে ম্যানেজার বাসায় রওনা দিলে সুজাতও ট্রাক নিয়ে পেছনে যায়। তখন আমাদের কাছে খটকা লাগে। এগিয়ে যায়ে দেখি, সুজাত আমাদের ম্যানেজারের গাড়ির ওপর দিয়ে গাড়ি চালায় দিয়ে চলে গেছে। আমরা যেতে যেতে নাহিদ কাকা মারা যায়। আরেকজন ছিল, তার অবস্থা গুরুতর।’

ফিলিং স্টেশনের হিসাবরক্ষক জসিম উদ্দীন বলেন, ‘সুজাত ক্ষিপ্ত হয়ে নাহিদ কাকাকে বলছিল, “তেল না তিলে তোরে ট্রাকের তলে দিয়ে মাইরে ফেলব।” পরে সে (সুজাত) সেটাই করিছে। ট্রাকের তলে দিয়ে মাইরে ফেলিছে।’

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে সুজাত মোল্যার বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাঁর বসতঘরটি তালা দেওয়া দেখা যায়। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, ভোরে ঘটনা জানাজানির পর পরিবারের সবাই এলাকা ছেড়েছেন।



Source link