বাংলাদেশের হাজারো গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট বিশ্বের উন্নত দেশগুলো, যেমন কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও আমেরিকায় কমিউনিটি ফার্মেসিতে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন এবং সেসব দেশের নাগরিকদের সঠিক ওষুধ ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে একই দক্ষ জনশক্তিকে আমরা আমাদের দেশে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। এই ফার্মাসিস্টদের সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে দেশের মানুষ অবশ্যই উপকৃত হবে।
এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে সরকারিভাবে ও বেসরকারিভাবে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করতে হবে। আইনগত কাঠামোর মাধ্যমে এই খাতে শৃঙ্খলা আনয়ন এবং কমিউনিটি ফার্মেসিতে ফার্মাসিস্টদের বাধ্যতামূলক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
এ ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফার্মাসিস্টদের সম্মানজনক বেতন নিশ্চিত করা। বর্তমানে ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিতে, যেমন স্কয়ার ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এ কর্মজীবনের শুরুতে যে বেতনকাঠামো বিদ্যমান, কমিউনিটি ফার্মেসিতেও অন্তত সেই মানদণ্ড বজায় রাখা উচিত। আমি দৃঢ়ভাবে দাবি জানাচ্ছি, কমিউনিটি ফার্মেসিতে কর্মরত ফার্মাসিস্টদের ন্যূনতম ৪০ হাজার টাকা বেতন নিশ্চিত করতে হবে।
