মোড় ঘোরানো মুহূর্ত
পরিবর্তন আসে পরিচালক আদিত্য ধরের হাত ধরে। ‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্টাইক’-এ ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রাকেশ বেদির অভিনয় নজর কাড়ে পরিচালকের। পরবর্তী সময়ে সেই আস্থার ফল হিসেবে তিনি পান বড় সুযোগ—‘ধুরন্ধর’ সিনেমার দুই কিস্তিতে। এরপরের গল্প তো সবারই জানা।

নতুন পরিচয়ে রাকেশ বেদি
‘ধুরন্ধর’–এ ‘জমিল জামালি’ চরিত্রে রাকেশ বেদি হাজির হন সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে। এখানে নেই চেনা কমেডির ছাপ, বরং আছে গভীরতা, নিয়ন্ত্রণ আর পরিণত অভিনয়। এই চরিত্রই তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। দর্শক নতুন করে আবিষ্কার করেন তাঁকে।

বক্স অফিসে ঝড়
‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি শুধু সমালোচকদের প্রশংসাই পায়নি, বক্স অফিসেও নজির গড়েছে। দুই চলচ্চিত্র মিলিয়ে আয় ছাড়িয়েছে ২০০০ কোটি রুপি। এই বিপুল সাফল্যের সঙ্গে রাকেশ বেদির নামও নতুন করে উচ্চারিত হচ্ছে।
মুম্বাইয়ে প্রথম জীবনে টিকে থাকার জন্য নানা ধরনের ছোট কাজ করেছেন। কখনো পারিশ্রমিক কম, কখনো চরিত্র ছোট—তবু রাকেশ বেদি কাজ করে গেছেন। এই ধারাবাহিকতা ও ধৈর্যই শেষ পর্যন্ত তাঁকে এনে দিয়েছে প্রাপ্য সম্মান।

ইন্ডিয়াডকম অবলম্বনে



Source link