বর্তমান স্মার্টফোনের যুগে মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার চিত্র নিমেষেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু কুয়েতি জাহাজ ‘আল সালমি’র ক্ষেত্রে শুধু দূর থেকে তোলা ধোঁয়া কুণ্ডলীর একটি ঝাপসা ছবি দেখা গিয়েছিল। কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ঘটনার অনেক পরে একটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করে, যেখানে আগুন নেভানোর পরবর্তী দৃশ্য দেখা যায়।
দুবাইকে বলা হয় মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে ঝলমলে ও বিলাসবহুল নগরী। প্রায় ৪০ লাখ বাসিন্দার এই শহরের জীবনযাপন অনেক ক্ষেত্রে নিউইয়র্ক বা লাস ভেগাসকেও হার মানায়। নামীদামি ইনফ্লুয়েন্সাররা দিনরাত যে শহরের বিজ্ঞাপন প্রচার করেন, সেই উম্মুক্ত শহরে এমন খবর সেন্সর করা বা গণমাধ্যমের ‘ব্ল্যাকআউট’ রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
বাস্তবতা হলো ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তাদের কঠোর প্রশাসনিক অবয়ব উন্মোচন করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার কোনো ছবি কিংবা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে জেল ও মোটা অঙ্কের জরিমানার ভয় দেখানো হচ্ছে। দুবাইয়ের যে ইনফ্লুয়েন্সাররা শহরটিকে ‘বিশ্বের নিরাপদতম স্থান’ হিসেবে প্রচার করেন, তাঁদের সেই উজ্জ্বল প্রচারণার আড়ালে এখন হাজার হাজার বিদেশি বাসিন্দার আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা চাপা পড়ে আছে।
