বিদ্রূপের বিষয় হলো, নেতানিয়াহু নিজেকে পরিচয় দেন বর্বরতার বিরুদ্ধে ‘পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রহরী’ হিসেবে। অথচ তাঁর রণকৌশল আধুনিক সভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বর সময়গুলোকে মনে করিয়ে দেয়। ২০ বছর আগে তিনি যেভাবে মিথ্যা তথ্যের ওপর ভর করে ইরাকে মার্কিন হামলার উসকানি দিয়েছিলেন, তারই ফলে সেই ইরাকি সভ্যতা আবারও এক আধুনিক তাতার বিনাশের মুখোমুখি হয়েছিল। আজ তাঁর লক্ষ্য তেহরান কিংবা ইস্পাহানের মতো প্রাচীন জনপদগুলোতে মৃত্যু আর ধ্বংসের বীজ ছড়ানো। 

তবে নেতানিয়াহুর তুলনায় চেঙ্গিস খানের নাম উচ্চারণ করাটাও হয়তো ভুল হবে। চেঙ্গিসের অন্তত নিজস্ব বিক্রম আর রণকৌশল ছিল। কিন্তু নেতানিয়াহুর বর্তমান ঔদ্ধত্য টিকে আছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সমরশক্তির পরজীবিতা করে। ক্ষমতার আস্ফালনে তিনি বড় সম্রাট হতে চাইছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর এই আগ্রাসন শেষ পর্যন্ত নৈতিক পরাজয় ছাড়া আর কিছুই নিশ্চিত করছে না। 

সুমাইয়া ঘানুশি ব্রিটিশ-তিউনিসীয় লেখক ও মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক

মিডল ইস্ট আই থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত



Source link