২. নিরাপদ আশ্রয় বা শিল্ডিং
তেজস্ক্রিয় কণা বা ”ফলআউট” থেকে বাঁচতে ভারী দেয়াল অত্যন্ত কার্যকর।
ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার বা বেসমেন্ট: মাটির নিচে থাকা কক্ষগুলো বিকিরণ থেকে সবচেয়ে ভালো সুরক্ষা দেয়।
পাকা দালান: ইটের দেয়াল বা কংক্রিটের ছাদ তেজস্ক্রিয় রশ্মিকে অনেকাংশে বাধা দিতে পারে। কাঁচের জানালার পাশ থেকে সরে ঘরের মাঝখানে বা দেয়ালের আড়ালে অবস্থান করা উচিত।
৩. ঘরের ভেতরে অবস্থান
বিস্ফোরণের পর অন্তত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা বাইরে বের হওয়া একদম উচিত নয়। এ সময় বাতাসের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় ছাই ও ধূলিকণা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘরের জানালা, দরজা এবং ভেন্টিলেটর ভালো করে বন্ধ করে দিতে হবে।
এয়ার কন্ডিশনার বা বাইরের বাতাস আসে এমন যন্ত্র বন্ধ রাখা জরুরি।
৪. ডিকন্টামিনেশন
যদি কোনো কারণে আপনি বাইরে থেকে ঘরে ফেরেন, তবে দ্রুত পোশাক পরিবর্তন করে প্লাস্টিক ব্যাগে সিল করে দূরে সরিয়ে রাখুন। সাবান দিয়ে শরীর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন যাতে চামড়ায় লেগে থাকা তেজস্ক্রিয় কণা দূর হয়। তবে চামড়া ঘষে ক্ষত করা যাবে না।
