শিশুটির মা তিথি মনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঈদের দুই দিন পর লালমনিরহাট হাসপাতালে নিউমোনিয়া আশঙ্কা করে চিকিৎসা দিছিল। তারপর বাচ্চা একটু সুস্থ হয়, বাসায় নিয়ে আসি। আবার অসুস্থ হয়। এ রকম করে দুই-তিনবার ভর্তি করেছি। পরে পয়লা বৈশাখের দিন নিয়ে গেছি। ওখানে শিশু ডাক্তার আসেনি। পরে আমার বাচ্চা খুব অসুস্থ হয়েছে, ওখানে অক্সিজেন দিয়ে পরদিন রংপুরে নিয়ে আসি। রংপুরের বেসরকারি কমিউনিটি মেডিকেলে ভর্তি করলে তারা হাম আক্রান্তের কথা বলে রংপুর মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়।’
তিথি মনি জানান, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু তানজিদকে প্রথমে হাম কর্নারে রাখা হয়েছিল। পরে একজন চিকিৎসক বলেন, ওর হাম হয়নি। তখন সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে রাখা হয়। অক্সিজেন সরবরাহসহ তানজিদের চিকিৎসায় কর্মরত নার্স ও
ওয়ার্ড বয়ের অসহযোগিতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিথি মনি।
এ বিষয়ে শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আয়েশা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার কানেও এসেছে। আজ (শনিবার) সকালে পরিচালক স্যারের রুমে গিয়েছিলাম এ নিয়ে কথা বলতে। তিনি নার্স ইনচার্জ ও ওয়ার্ড মাস্টারকে ডেকে নতুন করে রোস্টার করতে বলেছেন।’
