এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তারিকুজ্জামান বলেন, ‘উনি ওনার চাকরি করেছেন, আমি আমার।’
যতটা সহজভাবে তারিকুজ্জামান বললেন, নথিপত্র দেখাচ্ছে ভিন্ন দৃশ্যপট। ডাক বিভাগের নথিপত্র বলছে, ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জাকির হাসান কখনো নগদ-সংক্রান্ত কাজে দরপত্র আহ্বান ও মূল্যায়ন, চুক্তি স্বাক্ষরে যুক্ত ছিলেন; আবার কখনো ডাক বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি নগদে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ই তারিকুজ্জামানের দুটি আবেদন অনুমোদন পায়।
২০১৭ সালে ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবার অংশীদার নির্বাচনপ্রক্রিয়ার একাধিক কমিটির সদস্য ছিলেন জাকির হাসান। দরপত্রে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক তালিকা বাছাই, কারিগরি মূল্যায়ন এবং চূড়ান্ত নির্বাচন—সব পর্যায়েই তাঁর অংশগ্রহণ ছিল। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয় ডাক বিভাগের, যার ভিত্তিতে পরে নগদ চালু হয়।
নগদে জাকির হাসানের আগ্রহের একটি প্রমাণ পাওয়া যায় ডাক বিভাগের এক নথিতে। ২০২০ সালের শেষের দিকে তিনি ডাক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পোস্টমাস্টার জেনারেল সমমান পদে পদোন্নতি পান। এ সময় তাঁকে একটি প্রকল্পের পরিচালক পদের জন্য সুপারিশ করা হলে তিনি ‘প্রযুক্তিতে স্বচ্ছন্দ নন এবং শারীরিক অসুস্থতা’র কারণ দেখিয়ে অপারগতা প্রকাশ করেন।
