হাসনাতের আপত্তি
বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল উত্থাপন করতে গেলে তাতে আপত্তি জানান হাসনাত আবদুল্লাহ।
বিলের সংজ্ঞার দুটি বিষয়ে আপত্তি জানান হাসনাত। বিলে কমিশন অর্থ বলা হয়েছে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন’। এই কমিশনকে স্বাধীন করতে অন্তর্বর্তী সরকার যে অধ্যাদেশ জারি করেছিল, তা অনুমোদন না করে ২০০৯ সালের আইনটি পুনঃপ্রচলনের জন্য ইতিমধ্যে সংসদে বিল আনা হয়েছে। এটি পাস হওয়ার অপেক্ষায় আছে।
বিলের সংজ্ঞায় ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’–এর অর্থ বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড।
এ দুটি বিষয় উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো একভাবে দেখা হবে। আর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্যে যেই কার্যাবলিগুলো সংঘটিত হয়েছে, সেটাকে একভাবে দেখা হবে।
হাসনাত বলেন, সমস্যা হলো সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে যে ধরনের হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সেটাকে এই আইন অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। অর্থাৎ এই ইনডেমনিটির বিষয়টা নির্ভর করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপর।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ ইতিমধ্যে ল্যাপ (বাতিল) করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, এখন এই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনটা এটা যদি ২০০৯ সালের অনুযায়ী চলে, তাহলে সেটা কিন্তু পুরোপুরি সরকার–নিয়ন্ত্রিত একটা মানবাধিকার কমিশন, যে মানবাধিকার কমিশন বিরোধী দল ও মতকে দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। ভিক্টিম ব্লেমিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। যেই মানবাধিকার কমিশনে গুম–খুনের বৈধতা উৎপাদন করা হয়েছে।
