অন্যদিকে, ইয়ামালকে বোতলবন্দী করে রাখার ছক এঁকেছিলেন সিমিওনে। তিন-তিনজন ডিফেন্ডার মিলে আগলে রেখেছিলেন এই কিশোর–তারকাকে। তবুও কয়েকবার সুযোগ তৈরি করেছিলেন ইয়ামাল, কিন্তু আতলেতিকো গোলরক্ষক মুসো দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বার্সা লেভানডফস্কি ও পেদ্রিকে তুলে নিয়ে গাভি ও ফেরমিন লোপেজকে নামান। ১০ জন নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেলেও ভাগ্যের সহায়তা পায়নি কাতালানরা। এর মাঝেই ৭০ মিনিটে ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি পায় আতলেতিকো। গ্রিজমান ও রুগেরির দারুণ সমন্বয়ে আসা ক্রস থেকে বার্সা ডিফেন্ডার জেরার্দ মার্তিনকে শারীরিক শক্তিতে পরাস্ত করে গোল করেন সরলথ। ২–০ গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় বার্সা।
