পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো ভোরে ভ্যানে পাশের তানোর উপজেলার কালীগঞ্জ হাটে সবজি বহন করে নিয়ে যান আলম। হাট থেকে আসার সময় মজিবর রহমান আলমের ভ্যানে ওঠেন। মজিবরের বাড়ির আগেই আলমের বাড়ি। আলম তাঁর বাড়ির সামনে মজিবরকে নামিয়ে দেন। এতে একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আলমকে আঘাত করেন মজিবর। এতে আলম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে মোহনপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের দাবি, আলমকে ইটের আঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনার পর এলাকাবাসী মজিবরকে মারধর করে বেলগাছি পাঠক ক্লাবে আটকে রাখেন। সেখানে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে সেখানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মোহনপুর থানার পুলিশ সেখানে ঘিরে রাখে। পরে বেলা একটার দিকে পুলিশ মজিবরকে ক্লাব থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বেলা একটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মানুষ ক্লাবটি ঘিরে রেখেছে। কেউ কেউ পুলিশকে উপেক্ষা করে ক্লাবের দরজা পর্যন্ত চলে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে সেখানে কয়েক দফা ধস্তাধস্তিও হয়। পরে স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় পুলিশ মজিবরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
