গতকাল তুরস্কের আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামের এক ফাঁকে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এখন দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতার কাঠামো চূড়ান্ত করার দিকে মনোনিবেশ করছি। আমরা এমন কোনো আলোচনা বা বৈঠকে বসতে চাই না, যা ব্যর্থ হতে বাধ্য এবং যা নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির অজুহাত হতে পারে।’
আলোচনার বিষয়ে জানেন এমন দুই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, ইসলামাবাদের লজিস্টিকস বা প্রস্তুতির কথা বিবেচনায় নিলে বলতে হয়, দু–এক দিনের মধ্যে এখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা কম।
প্রায় ছয় সপ্তাহের যুদ্ধ শেষে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হয়। স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা প্রায় ২১ ঘণ্টা সরাসরি বৈঠক করে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। এরপর ইরানের নৌবন্দরে অবরোধের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ১৩ এপ্রিল থেকে তা কার্যকর হয়।
এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা সত্ত্বেও পাকিস্তানসহ মধ্যস্থতাকারীরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সরাসরি বৈঠকে ফেরানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। তেহরানে তিন দিনের সফর শেষে গতকাল দেশে ফিরেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
