দিপালীর ছোট বোন লাইজু বেগম প্রথম আলোকে জানান, গত বুধবার সকালে দিপালীর সঙ্গে তাঁদের শেষ কথা হয়েছিল। যুদ্ধের কারণে এক মাস আগে তিনি লেবাননের টায়ার এলাকা থেকে মালিকের পরিবারের সঙ্গে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বৈরুতে চলে এসেছিলেন।
লাইজু বলেন, ‘ও (বোন) বলেছিল, টায়ার এলাকায় যুদ্ধের প্রকোপ বেশি, তাই তারা বৈরুত যাচ্ছে। সেখানেই যে তার মৃত্যু হবে, তা ভাবিনি।’
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিপালী যে দোকান থেকে বাড়িতে টাকা পাঠাতেন, সেই দোকানের মালিক আজ শুক্রবার সকালে ফোন করে দিপালীর মৃত্যুর খবর জানান। এর পর থেকেই পরিবারটিতে শোকের মাতম চলছে।
চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শেখ ফালু বলেন, ‘পরিবারটি অত্যন্ত গরিব। অভাব দূর করতে মেয়েটি বিদেশে গিয়েছিল। আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব তাঁর মরদেহ দেশে আনা হোক।’
